বিজ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ : ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রবিবার প্রকাশ করা : আগস্ট ১৪, ২০২১

  • কোন মন্তব্য নেই

    চকরিয়ায় অবৈধভাবে বসতি নির্মাণ; বাঁধা দেওয়ায় মহিলাকে উলোঙ্গ করে পিটালো সন্ত্রাসীরা

     

    চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড পূর্ব খয়রাতি পাড়ায় এক অসহায় পরিবারের উপর বহিরাগত লোক দিয়ে হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও মারধর করে গুরুতর জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।

     

    এইঘটনায় বেলাল উদ্দিন এর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে গত ১২ আগষ্ট চকরিয়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

     

    অভিযোগে জানা যায়, বাদীনীর স্বামী মোঃ বেলাল উদ্দিনের পৈতৃক ওয়ারেশী ৩.২৯ শতক জমিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে চকরিয়া সহকারী জজ আদালতে অপর মামলা নং ১০৯/২০০৪ দায়ের করিলে, বিজ্ঞ বিচারক বিগত ১১-০৮-২০০৮ তারিখের এক আদেশে উক্ত বিরোধীয় জমিতে উভয় পক্ষ কে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। মহামান্য আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বাদীনির পূর্ব খয়রাতি পাড়াস্থ বসতঘরে গত ১২ আগষ্ট দুপুর ১ টার দিকে স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে স্থানীয় মৃত হাসানের পূত্র আশরাফুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসী দিনে দুপুরে তাদের পৈতৃক ভিটায় অবৈধ বাড়ি নির্মাণ শুরু করে।

    এতে বাঁধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা বসতঘরে অনুপ্রবেশ করে বসতবাড়ি ভাংচুর ও হামলা চালিয়ে মনোয়ারা বেগম সহ বেশ কয়েকজনকে আহত করে। অসহায় পরিবারটি তাৎক্ষনিক সাহায্যের জন্য ৯৯৯ এ ফোন করলে হারবাং পুলিশ ফাড়ির এএসআই মুনিরুল ইসলাম একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে

    গুরুত্বর আহত মনোয়ারা বেগমকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    এই ঘটনায় সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়ে কতিপয় যুবকদের জড়ো করে পুনরায় আহত মনোয়ারার উপর হামলা করার জন্য হাসপাতালে আসে। তাদের মারমুখী অবস্থা হাসপাতাল কতৃপক্ষের নজরে এলে, তাদের জরুরি হস্তক্ষেপে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও বর্তমানে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের আশপাশে অবস্থান করছে বলে জানান মনোয়ার স্বামী বেলাল উদ্দিন।

    তিনি আরও বলেন সন্ত্রাসীরা তার বাড়ি ঘরের ঘেরা বেড়া ভেঙে ও নগদ টাকা লুটপাট সহ প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে।

     

     

    এ ব্যাপারে বিবাদী পক্ষের লোকজন জানান, তারা পৈতৃক ও বিএস মূলে এই জায়গার মালিক, কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তারা জানে না।

     

    এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শাকের মোঃ যুবায়ের বলেন, বরইতলীতে মারামারির ঘটনায় একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি, তদন্তপূর্বক আসামি দের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্হা নেওয়া হচ্ছে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *