বিজ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ : ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সোমবার প্রকাশ করা : সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১

  • কোন মন্তব্য নেই

    জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বানিয়ে সার্টিফিকেট ইস্যু, কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

     

    মোহাম্মদ ইলিয়াছ আরমান, চকরিয়া:

     

    একজন দুজন নই। প্রায় ৬৪ জন জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সার্টিফিকেট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চকরিয়ার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিমর বিরুদ্ধে। মূলত চকরিয়ার সুরাজপুরর ভিলিজার পাড়া এলাকার একটি এতিম খানার প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করার জন্য এই মৃত্যু সার্টিফিকেট ইসু্য করা হয়েছে এমনকি সার্টিফিকেট ইস্যু করে কোটি টাকা আত্মসাতও করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে এলাকা বাসীরা

     

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০১৩ সাল থেকে এই পর্যন্ত সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা প্রায় কোটি টাকার অনুদান আত্মসাৎ করেছে চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিমসহ তার সহযোগিরা।

     

    এলাকাবাসীরা জানান, প্রায় ৬৪ জন জীবিত ব্যক্তির নামে এই মৃত্যু সনদ পত্র ইস্যু করে এই চেয়ারম্যান। গত ৭-৮ বছর ধরে সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা কোটি টাকার টাকা লোট করে খাওয়ার জন্যই মুলতঃ এই জালিয়াতি করেছে আজিম চেয়ারম্যান।

     

    এ ব্যাপারে চকরিয়ার সিনিয়ন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত বরাবরে একই এলাকার মৃত রব্বত আলীর ছেলে নুরুল কাদের বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যে মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে সিআইডিকে তদন্ত করার নিদের্শ দিয়ে আদালত।

     

    মামলাটিতে আজিম চেয়ারম্যান ছাড়াও একই ইউনিয়নর ৬নং ওয়ার্ডর মেম্বার রফিকুল ইসলাম কাজল এবং এতিম খানার সুপার মাওলানা আহসান হাবিব পারভেজকেও আসামী করা হয়েছে।

     

    এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিমের সাথে মোটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তার স্বাক্ষর জাল করে এই কুৎসা রটনা করছে বলে জানায় চেয়ারম্যান আজিম।

     

    অন্যদিকে জীবিত ব্যক্তির নামে মৃত্যু সনদ ইস্যূ এবং কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় মানব বন্ধন করে সুরাজপুর ইউনিয়নের ভিলিজার পাড়ার মানুষ। সেপ্টেম্বরর ১০ তারিখ শুক্রবার জুমার নামাজর পর ভিলিজার পাড়া ইসলামিয়া এতিম খানা এবং জামে মসজিদের সামনে এই মানব বন্ধন করে বিক্ষোদ্ধ এলাকাবাসীরা।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *